নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম :
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় গাউছিয়া তৈয়্যবিয়া হাশেমিয়া নেজামিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা হেফজখানা ও এতিমখানার উদ্বোধন উপলক্ষে শোহাদায়ে কারবালার মাহফিল ও শাহ মোহ্ছেন আউলিয়া (রহ) ওরশ শরীফ ২৮ শে জুন (রবিবার) সাবেক মেম্বার দানবীর ও সমাজ সেবক মোঃ আবুল কাশেম এর সভাপতিত্বে মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়।
গাউছিয়া তৈয়্যবিয়া হাশেমিয়া নেজামিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা হেফাজখানা ও এতিমখানার শুভ উদ্বোধন করেন, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রম- বিষয়ক সম্পাদক সাংবাদিক এমডিএইচ রাজু।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, হযরত শাহ মোহছেন আউলিয়া (রহ;) দরবার শরীফ, খলিফা মঞ্জিলের পরিচালক খাদেম ছাহেবজাদা মাওলানা সৈয়দ মামুনুর রশিদ কাদেরী।
এতে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,পশ্চিম এলাহবাদ আহমদিয়া সুন্নিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার সহকারি অধ্যাপক মাওলানা ফেরদৌসুল আলম খান আলকাদেরী।
অনুষ্টানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, গাউছিয়া তৈয়্যবিয়া হাশেমীয়া নেজামিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা হেফজখানা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা মুহাম্মদ আবু সাদেক মিজমী।
এতে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পশ্চিম এলাহবাদ আহমদীয়া সুন্নিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মাওলানা রেজাউল করিম আলকাদেরী,রহমানিয়া তাহেরিয়া হাফেজিয়া সুন্নিয়া নূরানী মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা মোঃ খোরশিদ রেজা আলকাদেরী, সাফা-মারওয়া বিজনেস গ্রুপ ‘র
হাফেজ আবদুল হামিদ।
আরো উপস্থিত ছিলেন, আবুল কালাম আবু, সাবেক মেম্বার বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সভাপতি আবু ছৈয়দ কোম্পানি, কুতুবউদ্দিন, আবদুল খালেক, আব্দুর রব (রকি)বাবুর্চি,হাজি মোঃ হাসান সহ ব্যক্তিবর্গ এতে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন,
কারবালার ঘটনা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের নয়; এটি সমগ্র মানবজাতির জন্য সত্য ও ন্যায়ের সংগ্রামের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দ্বীনি জ্ঞান চর্চার অন্যতম কেন্দ্র দ্বীনি প্রতিষ্ঠান এগুলো সঠিকভাবে চর্চা করা প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব সে সাথে যুগে যুগে আউলিয়া কেরামগণ মানবতার কল্যানে ইসলামের সু- মহান আদর্শ তারা রন্দ্রে রন্দ্রে ছডিয়ে দিয়েছে তাই তাদের সামাজিক দ্বীনি মজলিশে তাদের চর্চা করা প্রয়োজন।
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে বলেন, কারবালার মূল শিক্ষা হলো সত্যের জন্য ত্যাগ স্বীকার, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, মানবিক মূল্যবোধের চর্চা এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য সুদৃঢ় করা। তাঁরা তরুণ প্রজন্মকে বিভেদ ও সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবসেবার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
আলোচনা শেষে শোহাদায়ে কারবালার শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা, দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।





