ডেস্ক নিউজ ;
সরকারের এই উন্নয়নমূলক কাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই ধরনের মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে বলে আমরা মনে করি।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীণ “চট্টগ্রাম শহরের লালখান বাজার হতে শাহ্-আমানত বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ” (শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে) প্রকল্পের বিষয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ফেসবুক পোস্ট, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং কিছু গণমাধ্যমে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও ভুল তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।
সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প নিয়ে যে নেতিবাচক তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে, তা সাধারণ নগরবাসী হিসেবে আমাদের বাস্তব অভিজ্ঞতার সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। আমরা এই বিভ্রান্তিকর ও একপেশে প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
আমাদের বক্তব্য নিম্নরূপ:
* ভোগান্তি ও যানজট নিরসন: প্রতিবেদনে এক্সপ্রেসওয়ের কার্যকারিতা নিয়ে যে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তা সঠিক নয়। এই মেগা প্রকল্পের ফলে পতেঙ্গা, এয়ারপোর্ট এবং টানেলমুখী যাতায়াতের সময় ও ভোগান্তি আশাতীতভাবে কমেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকার যে চিরচেনা রূপ ছিল, তা থেকে নগরবাসী এখন স্বস্তি পাচ্ছে।
* র্যাম্প ও নকশা: এক্সপ্রেসওয়ের র্যাম্পের স্থান নির্ধারণ বা নকশা নিয়ে যে সমালোচনা করা হয়েছে, তা অবাস্তব। বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়কে সংযুক্ত করার লক্ষ্যেই এই পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে পুরো নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বদলে দেবে।
* উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব: যেকোনো বড় অবকাঠামো নির্মাণের সময় সাময়িক কিছু জনদুর্ভোগ হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু সেটিকে পুঁজি করে পুরো একটি রাষ্ট্রীয় মেগা প্রকল্পকে ব্যর্থ বা ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে উপস্থাপন করা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
একটি উন্নয়নমুখী প্রকল্পের বাস্তব সুফলকে আড়াল করে, একপেশে তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি হয়েছে বলে আমরা মনে করি। এতে সাধারণ পাঠকদের মাঝে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।
আশা করি, দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি জাতীয় পত্রিকা হিসেবে সত্য ও নিরপেক্ষতার স্বার্থে আমাদের এই প্রতিবাদলিপিটি আপনাদের কলামে যথাযথ গুরুত্বের সাথে প্রকাশ করে পাঠকদের সঠিক তথ্য জানার সুযোগ করে দেবেন।
টোল ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও টোলের অর্থ আত্মসাৎ
ব্যাখ্যা : আলোচ্য অভিযোগ সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর। আলোচ্য প্রকল্পের আওতায় নির্মিত সী-বিচ হতে ওয়াসা মোড় পর্যন্ত প্রায় ১৫ কি.মি. (কম/বেশি) দীর্ঘ চার লেইন বিশিষ্ট মূল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েটি “শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়াল সড়ক” নামে নামকরন করে গত ০৩/০১/২০২৫ খ্রি: তারিখ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা কর্তৃক টোল আদায় কার্যক্রম উদ্বোধনের মাধ্যমে যানচলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
উল্লেখ্য যে, টোল আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারটি ঠিকাদার কর্তৃক চউকের সিস্টেম এনালিস্ট -কে বুঝিয়ে দেওয়া হয় এবং উক্ত দপ্তর হতে টোল অপারেশনের যাবতীয় কাজ মনিটরিং করা হয়।
উক্ত সময় হতে প্রকল্পের নিয়োজিত পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে টোল আদায়ের জনবল সরবরাহ করে টোল আদায় কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে এবং চউকের চেয়ারম্যান, সচিব ও সিস্টেম এনালিস্ট এর তত্ত্বাবধানে টোল আদায়ের সম্পূর্ণ কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে।
আদায়কৃত টোলের অর্থ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী Eastern Bank PLC এর মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
দৈনিক গড়ে ৮৭০০টি যানবাহন উক্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করছে এবং প্রতিদিন গড়ে ৬,১৬,০০০/- টাকা টোল সংগ্রহ করা হচ্ছে।
টোল আদায় কাজের সাথে প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমানসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতা নেই।
টোল আদায় কার্যক্রমে প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমানসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কোন সংশ্লিষ্টতা না থাকায় শর্তেও টোল চুরি বা অনিয়মের অভিযোগ করা হচ্ছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।





