আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য খাতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিশিষ্ট জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল ফয়েজ World Health Organization (WHO) এবং Korea Foundation for International Healthcare (KOFIH) কর্তৃক প্রদত্ত সম্মানজনক Dr. Lee Jong-wook Memorial Award–২০২৬ এ ভূষিত হয়েছেন। এই অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য আন্দোলনের জন্যও এক অনন্য সম্মান।
দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে অধ্যাপক আবুল ফয়েজ দেশের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, জনস্বাস্থ্য গবেষণা, স্বাস্থ্যনীতি উন্নয়ন এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
বিশেষ করে বাংলাদেশে সর্পদংশনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, সর্পদংশনে মৃত্যুহার কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ, চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ, জাতীয় গাইডলাইন ও সর্পদংশনের কর্মকৌশল প্রণয়ন এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশে দেশীয়ভাবে কার্যকর অ্যান্টিভেনম উদ্ভাবনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা এবং এ বিষয়ে গবেষণা ও সক্ষমতা উন্নয়নে তাঁর দূরদর্শী উদ্যোগ ভেনম রিসার্চ সেন্টারে অ্যান্টিভেনম উন্নয়ন কার্যক্রমের ভিত্তি তৈরি করেছে। দেশের গবেষক, চিকিৎসক ও তরুণ বিজ্ঞানীদের অনুপ্রাণিত করার ক্ষেত্রে তাঁর নেতৃত্ব সবসময়ই পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে।
বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য খাতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিশিষ্ট জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল ফয়েজ World Health Organization (WHO) এবং Korea Foundation for International Healthcare (KOFIH) কর্তৃক প্রদত্ত সম্মানজনক Dr. Lee Jong-wook Memorial Award–২০২৬ এ ভূষিত হয়েছেন। এই অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য আন্দোলনের জন্যও এক অনন্য সম্মান।
দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে অধ্যাপক আবুল ফয়েজ দেশের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, জনস্বাস্থ্য গবেষণা, স্বাস্থ্যনীতি উন্নয়ন এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
বিশেষ করে বাংলাদেশে সর্পদংশনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, সর্পদংশনে মৃত্যুহার কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ, চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ, জাতীয় গাইডলাইন ও সর্পদংশনের কর্মকৌশল প্রণয়ন এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশে দেশীয়ভাবে কার্যকর অ্যান্টিভেনম উদ্ভাবনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা এবং এ বিষয়ে গবেষণা ও সক্ষমতা উন্নয়নে তাঁর দূরদর্শী উদ্যোগ ভেনম রিসার্চ সেন্টারে অ্যান্টিভেনম উন্নয়ন কার্যক্রমের ভিত্তি তৈরি করেছে। দেশের গবেষক, চিকিৎসক ও তরুণ বিজ্ঞানীদের অনুপ্রাণিত করার ক্ষেত্রে তাঁর নেতৃত্ব সবসময়ই পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে।




